সম্পর্কের ৬ মাস পূরণ হতে চলেছে তাদের অথচ এখনো গার্লফ্রেন্ডকে মন মত কিছুই উপহার দিতে পারেনি ইমন(ছদ্দনাম), কি করে দিবে তার যে চাকরি নেই আজ ৪/৫ মাস ধরেই। সামনে আসছে ঈদ এই ঈদেও যদি প্রেমিকাকে কিছু উপহার দিতে না পারে তাইলে মান সম্মান বলে আর কিছু থাকবেনা প্রেমিকার সামনে । কিন্তু উপায়ও যে নেই তার সামনে কোন । বিড়ি খাওইয়ার পয়সাও নেই তার পকেটে ।
এমন ক্রাইসিসের মধ্যে থেকে ইমন সিদ্ধান্ত নিল এবার চুরি করে হলেও প্রেমিকাকে কিছু একটা উপহার দিবেই।
এসব চিন্তা করেই গতকাল ইমন নগরীর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একটি শপিং মলে ঢুকে চুরির উদ্দেশ্যে । কি উপহার দেয়া যায় এই ভাবতে ভাবতে ঢুকে পরলো একটা জুয়েলারি শপে। স্টোনের কয়েকটা সেট ইমনের মনে ধরে যায় ।
দোকানদারের থেকে দাম জিজ্ঞাসা করে আকাশ থেকে পরল সে। এতটাকা জোগাড় করা তার পক্ষে সম্ভব না কোনভাবেই। দোকান থেকে বের হয়ে যায় সে অন্য দোকানে ঘুরপাক খায় । কিন্তু প্রথম দোকানের সেট টা তার ভীষণ ভাল লেগে যায় এবং ওটাতেই সে তার প্রেমিকাকে কল্পনা করে বসে।
আবার প্রথম দোকানে যায় সে । অনেকটা চালাকি করে দোকানদারকে বিভিন্ন সেট দেখার অভিনয় করে এক ফাঁকে সে পছন্দের সেটটা গায়েব করে ফেলে। দোকানদার টের না পেলেও সিসি ক্যামেরাতে ধরা পরে যায় ইমনের এই কার্যকলাপ। দোকান থেকে বের হবে এমন সময় সিসি ক্যামেরা অপারেটর ইমন কে ধরার জন্য সিকিউরিটিকে বলে।
এভাবেই সে ধরা পরে যায়, তারপর দোকান কর্তৃপক্ষ পুলিশ ঢেকে তাকে সুপর্দ করে।
শেষে পুলিশের কাছে ইমন তার স্বীকারুক্তিতে তার জীবনের এসব করুণ কাহিনী তুলে ধরে। তার এমন কস্টের কথা শুনে গলে যায় পুলিশ এস.আই এর মনে। তিনি কথা বলেন দোকান কর্তৃপক্ষের সাথে এ ব্যাপারে, তখন দোকানের মালিক তার নাম পরিচয় গোপন রাখা হবে শর্তে তাকে একটি স্থায়ী চাকরির অফার করে।
উপরের সংবাদটি পুরোটাই বানোয়াট একটি রম্য সংবাদ , বাস্তবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানের সাথে এই গল্পের মিল নেই। ইন্টারনেটে যা পাবেন তাই বিশ্বাস করতে নেই :p । এরপরও কেউ মাইন্ড খাইলে নিজ দায়িত্বে খাবেন এর জন্য কর্তৃওপক্ষ দায়ী নয়।


No comments:
Post a Comment